অ্যাপটি কেন ব্যবহার করবেন?

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরণের অপরাধ যেমন নারী ও শিশু নির্যাতন, মাদক পাচার, মানি লন্ডারিং, চাঁদাবাজি, ভাড়াটে খুন, প্রতারণা, মানব পাচার, ডাকাতি, দুর্নীতি, কালো বাজারি, রাজনৈতিক সহিংসতা, সন্ত্রাসবাদ ও অপহরণ, ইত্যাদি সংঘঠিত হয়। এসব অপরাধের প্রভাবে জনসাধারণের নিরাপত্তা ব্যাহত হয়। বাংলাদেশ পুলিশ এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী বিগত ২০১৭ সালে সারা বাংলাদেশ পুলিশের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২১৩৫২৯ টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে যার মধ্যে চুরি, ডাকাতি, হত্যা, রাহাজানি, দাঙ্গা-হাঙ্গামা, অপহরণ, নারী ও শিশু নির্যাতন সহ অন্যান্য অপরাধ রয়েছে। অপরাধ সংঘঠনের সময় বা পরে দ্রুত আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করার মত কোন সহজ সমাধান এখনও আমাদের নেই। বিপদের মূহুর্তে কারও পক্ষে পুলিশকে দ্রুত অবহিত করার বা সাহায্য প্রার্থনা করার সহজ কোন ব্যবস্থা না থাকায়, সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিপদে অসহায়ত্বের শিকার হচ্ছে। একটি দ্রুত অবহিতকরণ ব্যবস্থা বিভিন্ন ভাবে এক্ষেত্রে উপকারে আসতে পারে। যেমন, ১) ডাকাত ও ছিনতাই কারীর কবল থেকে রক্ষা পেতে। ২) স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত ও অপহরণ কারীর কাছ থেকে রেহাই পেতে। ৩) কোন দুস্কৃতিকারীকে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দিতে। ৪) অপরাধীর আক্রমনের শিকার ব্যক্তিকে দ্রুত সাহায্য ও সহযোগিতা করতে। ৫) অপরাধ সংঘটিত স্থান দ্রুত খুঁজে বের করতে পুলিশ কে সহায়তা। ৬) অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনার সময় পুলিশের সহায়তা পেতে। ৭) সন্ত্রাসী কর্মকান্ড রুখতে পুলিশকে সহায়তা ৮) দূর্ঘটনার সময় জরুরী সেবা যেমন অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, নিকটস্থ হাসপাতাল ইত্যাদি সেবা পেতে। এছাড়াও প্রয়োজনীয় নিকটস্থ সেবা সমূহ এটিএম বুথ, হোটেল-রেস্টুরেন্ট ইত্যাদি সহজেই খুঁজে পেতে।৯. হারিয়ে বা চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি খুঁজে পেতে।

অ্যাপের ফিচার সমূহ

১. স্মার্টফোনের পাওয়ার বাটন প্রেস করার মাধ্যমে জরুরি সেবা  ২.হারানো ফোন উদ্ধারে সহযোগিতা  ৩. এক ক্লিকে ইমারজেন্সি সেবা   ৫. সহজেই নিকটস্থ সেবাটা খুঁজে পাওয়া  ৬. বিভিন্ন সংস্থাকে অভিযোগ ও মতামত জানানো

এটি কেন টেকসই

“ সেলফ প্রটেক্ট ” অ্যাপের মাধ্যমে আমাদের হারিয়ে বা খুঁয়ে যাওয়া ফোনটির অবস্থান, কোন নতুন সিম ব্যবহার করছে তার সিরিয়াল নম্বর পাওয়া যাবে। এই তথ্যগুলো আইন-প্রয়োগকারী সংস্থাকে সরবরাহ করলে ব্যবহারকারী তার ফোনটি ফিরে পেতে সক্ষম হবে। কোন সময় বিপদে পড়লে মোবাইল ফোনে বার্তা লেখা বা ফোন কল করার সময়-সুযোগ থাকে না তাই ঐ সময় ফোনটি পকেটে বা ব্যাগে বা হাতে থাকলে শুধুমাত্র ফোনের পাওয়ার বাটনটি ৩-৪ বার চাপার মাধ্যমে ভিকটিমের সবচেয়ে নিটস্থ আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা ও অ্যাপে সেটআপ কৃত পরিবার-বনধুদের কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিকটিমের অবস্থান,ফোনের আই.এম.ই.আই.,অডিও শব্দ,৩০ সেকেন্ডর ভিডিও, ছবি .ফোন নম্বর পৌছে যাবে।এবং কাছে মুহুর্তের মধ্যেই আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা ভিকটিমের অবস্থান জানতে পারবে এবং তাকে সাহায্য করতে পারবে। পরিবার ও জানতে পারবে তিনি কোথায় আছেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ সংস্থা, আইন-প্রয়োগকারী সংস্থা, আইনী সহায়তা কেন্দ্র, মানবাধিকার কমিশন, প্রয়োজনীয় অভিযোগ এবং রিপোর্ট করতে পারবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে জরুরী সেবা যেমন হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, ব্লাড ব্যাংক ইত্যাদি সাহায্য সহায়তা নিতে পারবে। এছাড়াও ব্যবহারকারীর নিকটস্থ হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স , এটিএম বুথ,ব্যাংক, আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, শপিংমল ইত্যাদি অ্যাপ স্ক্রিণে দেখা যাবে এবং ব্যবহারকারী তা খেকে তার প্রয়োজনীয় সেবাটা গ্রহণ করতে পারবে। এই অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান থাকবে এবং হিডেন অবস্থায় থাকবে।

Top